Showing posts with label জীবনের জন্য. Show all posts
Showing posts with label জীবনের জন্য. Show all posts

Friday, March 20, 2020

১০ হাজার ছাড়িয়েছে মৃতের সংখ্যা


করোনাভাইরাসে মৃত্যুর মিছিল যেন থামছেই না। প্রতিনিয়ত এই মিছিল লম্বা হচ্ছে। ইতোমধ্যে পুরো বিশ্বে ১০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে মৃতের সংখ্যা। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী এ সংখ্যাটা ১০ হাজার ৫০ জনে দাঁড়িয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় আড়াই লক্ষের কাছাকাছি।

গত ২৪ ঘণ্টায় শুধু ইতালিতেই নতুন করে মারা গেছেন আরো ৪২৭ জন। এ নিয়ে সেখানে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৩ হাজার ৪০৫ জনে। যা বিশ্বের মধ্যে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। এই সংখ্যাটা বেড়ে কোথায় গিয়ে ঠেকে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

গত একদিনে দেশটিতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যাও উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। এদিন মোট ৫ হাজার ৩২২ জন নতুন করে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন। সবমিলিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৪১ হাজার ৩৫ জনে। এদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছেন ২ হাজার ৪৯৮ জন।

এ ছাড়া চীনে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ৩ হাজার ২৪৮ জন। সংক্রমণের সংখ্যা ৮০ হাজার ৯৬৭ জন। এরমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭১ হাজার ১৫০ জন। আর বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে ৬ হাজার ৫৬৯ জন রোগী চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।

সর্বোচ্চ মৃত্যুর দিক দিয়ে এরপরেই অবস্থান করছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরান। সেখানেও প্রতিনিয়ত মৃত্যুর মিছিল বাড়ছে। ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে সেখানে এখন পর্যন্ত এক হাজার ২৮৪ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। সংক্রমিত হয়েছেন ১৮ হাজার ৪০৭ জন। এরমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫ হাজার ৯৭৯ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন ১১ হাজার ১৪৪ জন রোগী।

এদিকে পুরো বিশ্বব্যাপী এখন পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছেন ১০ হাজার ৫০ জন। এ সংখ্যাটা ক্রমশ বাড়ছে। আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৪৫ হাজার ৬৬০ জনের অধিক। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৮ হাজার ৪৩৭ জন এবং বর্তমানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন এক লক্ষ ৩৯ হাজার ৭৯৬ জন।

মৃত্যুর মিছিলে চীনকে ছাড়িয়ে গেল ইতালি


করোনাভাইরাসকে প্রথমে খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি বিশ্বের অন্যতম অর্থনৈতিক সমৃদ্ধশালী দেশ ইতালি। যার খেসারত এখন প্রত্যেকটা মুহূর্তে দিতে হচ্ছে। পুরো দেশটি মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। গতকালই একদিনের মৃত্যুর রেকর্ডে চীনকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। এবার সর্বোচ্চ মৃত্যুর মিছিলেও চীনকে ছাড়িয়ে গেল তারা।

প্রতিদিনই সেখানে মৃত্যুর মিছিল বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে মারা গেছেন আরো ৪২৭ জন। এ নিয়ে ইতালিতে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৩ হাজার ৪০৫ জনে। যা বিশ্বের মধ্যে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। এই সংখ্যাটা বেড়ে কোথায় গিয়ে ঠেকে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

গত একদিনে দেশটিতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যাও উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। এদিন মোট ৫ হাজার ৩২২ জন নতুন করে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন। সবমিলিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৪১ হাজার ৩৫ জনে। এদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছেন ২ হাজার ৪৯৮ জন।

তবে এতো খারাপ সংবাদের মধ্যেও ভালো খবর হচ্ছে, ইতালিতে ইতোমধ্যে অনেকেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এ সংখ্যাটা এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৪৪০ জন। যা কিছুটা হলেও স্বস্তি দিচ্ছে।

করোনা মোকাবেলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে দেশটির সরকার। প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে নিয়ম মেনে চলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়ায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। মাইকিং করে সতর্ক করা হয়েছে। আর নির্দেশ অমান্য করলেই জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা জাতিসংঘের


প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণে বিশ্বব্যাপী, বিশেষ করে দরিদ্র দেশগুলোতে কয়েক মিলিয়ন (১০ লাখে এক মিলিয়ন) মানুষের মৃত্যু হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরেস।

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের মহাসচিব এমন শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, নতুন এই করোনাভাইরাস যদি অবাধে ছড়িয়ে পড়ে তাহলে কয়েক মিলিয়ন মানুষ, বিশেষ করে দরিদ্র দেশগুলোতে, মারা যেতে পারে। এই মহামারি মোকাবেলায় বৈশ্বিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

গুতেরেস বলেন, ‘আমরা যদি এই ভাইরাসকে দাবানলের মতো ছড়াতে দেই, বিশেষ করে বিশ্বের ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে, তাহলে এটি কয়েক মিলিয়ন মানুষকে মেরে ফেলবে।

জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, ‘এক্ষেত্রে বৈশ্বিক সংহতিকে শুধু নৈতিক বিষয় হিসেবে দেখলে হবে না, বরং এটা প্রত্যেকের স্বার্থেই করতে হবে।’

পরিস্থিতি মোকাবেলায় জাতিসংঘ মহাসচিব বিশ্বের ধনী ২০টি দেশকে দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। সেইসঙ্গে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফের মতো দাতা সংস্থাগুলোর প্রতিও ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, ওয়াল্ডোমিটারের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী বিশ্বে এ পর্যন্ত করোনায় ১০ হাজার ৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর আক্রান্ত হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৯২২ জন।

দেশে মোট আক্রান্ত ২০


দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট তিনজন আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে মোট ২০ জন আক্রান্ত হলেন। আজ শুক্রবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ তত্ত্ব রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।

এক সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আক্রান্তদের মধ্যে একজন মহিলা এবং দুইজন পুরুষ। মহিলার বয়স ৩০ এর কোটায়। তিনি ইতালি ফেরত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসে আক্রান্ত হয়েছেন। দুই পুরুষের একজনের বয়স ৭০ এবং অন্যজন ৩০। ৭০ বছর বয়সী ব্যক্তির অবস্থা আশঙ্কাজনক। তিনিও ইতালি ফেরত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসে আক্রান্ত হন। তিনি আইসিইউতে আছেন।

অন্যদিকে, ৩০ বছর বয়সী পুরুষ ইউরোপ থেকে এসেছেন। 

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইইডিসিআরে কল এসেছে ২৪১৭। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে কল এসেছে ২৯ হাজার ৯৬২। আইইডিসিআরে আসা কলের মধ্যে ২২৬৯টি কোভিড-১৯ সংক্রান্ত। 

কলগুলোর মধ্যে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৩৬ জনের। 

অন্যদিকে, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে আইসোলেশনে রয়েছে ৩০। আর সরকারিভাবে কোয়ারেন্টাইনে আসে ৪৪ জন। 

উল্লেখ্য, এ পর্যন্ত দেশে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

জাপানে ওষুধ প্রয়োগে ৪ দিনেই করোনা মুক্তি!


করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক হিসেবে জাপান যে ওষুধ ব্যবহার করেছে তা ‘স্পষ্টতই কার্যকর’ ভূমিকা পালন করেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। ওষুধটি প্রয়োগে মাত্র চার দিনে করোনা রোগীর নেগেটিভ রেজাল্ট এসেছে। দেশটির সরকারি গণমাধ্যম এনএইচকে’র বরাত দিয়ে দ্য গার্ডিয়ান এ খবর দিয়েছে।

ওষুধটি প্রয়োগে উৎসাহব্যঞ্জক ফলাফল পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ঝাং শিনমিন।


তিনি বলেন, জাপানের ফুজিফিল্মের সহায়ক প্রতিষ্ঠান টোয়ামা ক্যামিক্যাল কোম্পানি ফ্যাভিপিরাভির নামের ওই প্রতিষেধকটি ডেভেলপ করেছে, ২০১৪ সালে যা অ্যাভিগান নামে পরিচিত ছিল। পরীক্ষামূলক প্রয়োগের অংশ হিসেবে উহান ও শেনঝেনে ৩৪০ জন রোগীর ওপর আমরা প্রতিষেধকটি প্রয়োগ করেছি। এতে উৎসাহব্যঞ্জক ফলাফল পাওয়া গেছে।

তিনি আরো বলেন, ‘ওষুধটি সম্পূর্ণ নিরাপদ ও এবং চিকিৎসার ক্ষেত্রে স্পষ্টতই কার্যকর।’

জাপানের সরকারি গণমাধ্যম এনএইচকে বলছে, ওষুধটি প্রয়োগের মাত্র চারদিনের মধ্যে করোনা আক্রান্ত রোগীর নেগেটিভ রেজাল্ট এসেছে। আর যাদের এ ওষুধটি দিয়ে চিকিৎসা করা হয়নি তাদের ১১ দিন লেগেছে সেরে উঠতে। 

অন্যদিকে, এক্সরে রিপোর্টে দেখা যায়, ফ্যাভিপিরাভির দিয়ে যাদের চিকিৎসা করা হয়েছে তাদের ফুসফুসের ক্ষেত্রে ৯১ শতাংশ উন্নতি হয়েছে। আর যাদের এ ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়নি তাদের ক্ষেত্রে ৬২ শতাংশ উন্নতি হয়েছে। 

তবে দ্য গার্ডিয়ান বলছে, চীনের ওই কর্মকর্তা ওষুধের কার্যকারিতার ব্যাপারে এমন দাবি করলেও এর প্রস্তুতকারী কোম্পানি টোয়ামা ক্যামিক্যাল কোনো মন্তব্য করেনি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার ঝাং ওই ঘোষণা দেওয়ার পরই কোম্পানিটির শেয়ারের দামে উন্নতি হয়েছে।

জাপানের চিকিৎসকরা মাঝারি ধরনের উপসর্গ রয়েছে- এমন রোগীর ওপর ওই একই ওষুধের পরীক্ষা চালাচ্ছেন। তারা আশা করছেন, এর ফলে রোগী জটিল পরিস্থিতির দিকে যাওয়া থেকে রক্ষা পাবে।

অন্যদিকে, জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র দাবি করছে, যেসব রোগীর অবস্থা গুরুতর তাদের ক্ষেত্রে ওষুধটি তেমনটা কার্যকর না।

সূত্রটি বলছে, ‘ভাইরাসটি নানা জটিলতা তৈরি করেছে- এমন ৭০ থেকে ৮০ জন রোগীর ওপর অ্যাভিগান ওষুধটি প্রয়োগ করেছি। কিন্তু আশানুরূপ কোনো ফলাফল পাইনি।’

সূত্রের বরাত দিয়ে গার্ডিয়ান বলছে, এর আগে করোনা রোগীর ক্ষেত্রে এইচআইভি সংক্রান্ত লোপিনাভির ও রিটোনাভির সমন্বিত প্রয়োগেও একই ধরনের সীমাবদ্ধতা পাওয়া গেছে।

এদিকে, জাপানে ফ্যাভিপিরাভির ওষুধটি করোনা রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে চাইলে সরকারের অনুমোদন লাগবে। দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মে মাসের শুরুতেই ওষুধটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হতে পারে।

তবে গবেষণার ফলাফল পেতে দেরি হলে অনুমোদন পেতেও বিলম্ব হবে বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসে পুরো বিশ্বে ১০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে মৃতের সংখ্যা। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী সংখ্যাটা ১০ হাজার ৫০ জনে দাঁড়িয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় আড়াই লাখের কাছাকাছি।

মুখ না ঢেকে হাঁচি দেওয়ায় গণপিটুনির শিকার যুবক



প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) আতঙ্কে কাঁপছে গোটা বিশ্ব। দেশে দেশে বেড়ে চলেছে মৃতের সংখ্যা। জ্বর, সর্দি, হাঁচি, কাশি দেখা দিলেই স্বেচ্ছায় কোয়ারেন্টাইনে যাচ্ছে মানুষ। এরই মধ্যে মুখ না ঢেকে জনসম্মুখে হাঁচি দিয়ে গণপিটুনি খেয়েছেন ভারতের এক ব্যক্তি।

বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মহারাষ্ট্রের কোলাপুর শহরের গুজারিয়া এলাকার একটি সড়কে। যা রাস্তায় থাকা সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায়।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, এক ব্যক্তি মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় মুখ না ঢেকেই হাঁচি দেন। এ সময় আরেকটি মোটরসাইকেলের চালক তার পথ আটকান এবং কেন মুখ না ঢেকে হাঁচি দিয়েছেন তা জানতে চান। এ নিয়ে দুইজন বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়লে আশপাশের লোকজন সেখানে জড়ো হয় এবং এক পর্যায়ে হাঁচি দেওয়া ব্যক্তিকে গণপিটুনি দেন।

এ ঘটনায় কেউ এখনো থানায় অভিযোগ জানাননি। তবে ভিডিওটিতে সবাই হাঁচি দেওয়া ব্যক্তিরই সমালোচনা করেছেন। মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখ এক টুইটে বলেন, নিয়ম না মেনে যারা নিজের এবং অন্যদের বিপদে ফেলছেন, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

প্রসঙ্গত, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস একজন থেকে অন্যজনে হাঁচি, কাশি, নিঃশ্বাস বা সংস্পর্শে ছড়ায়। তাই এ জ্বর, সর্দি, কাশি, হাঁচি দেখা দিলে বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।

বিশ্বের ১৭০টি দেশে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত ভারতে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংক্রমিত হয়েছেন ২০৬ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ২০ জন।

যুক্তরাষ্ট্রে মৃত ২০৫, তথ্য গোপন করছে ট্রাম্প প্রশাসন!


প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে যুক্তরাষ্ট্রে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০৫ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটিতে এ ভাইরাসে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ হাজার ২০০ জন। সুস্থ হয়েছেন ১২১ জন। তবে মার্কিন স্বাস্থ্য বিভাগ সঠিক তথ্য প্রকাশ করছে না বলে অভিযোগ তুলেছে দেশটির হপকিন্স ইউনিভার্সিটি। খবর ইয়ানি সাফাক।

জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে রাজধানী ওয়াশিংটনে। সেখানে এখন পর্যন্ত ৭৪ জন মারা গেছেন। এর পরই আছে নিউইয়র্ক। সেখানে মৃতের সংখ্যা ৩৮ জন। ক্যালিফোর্নিয়াতে মৃতের সংখ্যা ১৮ জন। জর্জিয়া ও লিউসিয়ানা রাজ্যে ১০ জন করে মৃত্যুবরণ করেছেন। এ ছাড়া ২০টি রাজ্যে একজন করে মারা গেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, এখন পর্যন্ত ১২১ জন করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন।

তবে দেশটির জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটি দাবি করছে, সরকারি হিসাবে যে সংখ্যা দেখানো হচ্ছে, তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি আক্রান্তের সংখ্যা। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ডিসিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রেভেনশন (সিডিসি) সঠিক সংখ্যাটি প্রকাশ করছে না। তারা দৈনিক যে হিসাব প্রকাশ করছে তা শুধু বিকেল ৪টার আগ পর্যন্ত যা হচ্ছে তাই তুলে ধরছে।

উল্লেখ্য, চীনের উহানে ছড়ানোর পর ভাইরাসটি এখন পর্যন্ত বিশ্বের ১৭৩টি দেশে হানা দিয়েছে। কেড়ে নিয়েছে ১০ হাজার ৬২ জনের প্রাণ। আক্রান্ত হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৭৬২ জন।

ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত সপ্তাহে জাতীয় জরুরি অবস্থা জারি করেন করেন দেশটিতে। সেইসঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলায় ১০৫ বিলিয়ন ডলারের একটি জরুরি তহবিল ঘোষণা করেন।

Thursday, March 19, 2020

খুব গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও : দেখুন কিভাবে করোনা ভাইরাস খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে

করোনা মোকাবেলায় দেবী শেঠির গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ


মরণব্যাধী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। ইতোমধ্যে বিশ্বের ১৭২টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ভাইরাসটি। আক্রান্তের সংখ্যাও দুই লাখ ছাড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছেন ৮ হাজার ৯০৮ জন। সবমিলিয়ে ভাইরাসটির সংক্রমণ রোধ করার কোনো উপায়ও খুঁজে পাচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে করোনা রোধ করার কোনো উপায় না পেলেও তা নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন উপমহাদেশের বিখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দেবী শেঠি। জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে বরং ভাইরাসটি মোকাবেলায় বেশ কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

এক অডিও বার্তায় তিনি বলেন, কারো সর্দি থাকলে নিজেকে প্রথমে আইসোলেট করে লক্ষণগুলো পর্যবেক্ষণ করতে হবে। প্রথমদিন শরীরে ক্লান্তি আসবে। তৃতীয় দিন হালকা জ্বর, কাশি ও গলায় সমস্যা দেখা দেবে। পঞ্চম দিন পর্যন্ত মাথাব্যথা ও সঙ্গে পেটের সমস্যাও হতে পারে।

৬ষ্ঠ ও সপ্তম দিনে শরীরে ব্যথা বাড়বে, পেটের সমস্যা থেকে যাবে। তবে মাথাব্যথা কমতে শুরু করবে, ডায়রিয়ার লক্ষণ দেখা দিতে পারে। যদি ৮ম ও ৯ম দিন সব লক্ষণ চলে গিয়ে সর্দি বাড়ে তাহলে বুঝবেন আপনার প্রতিরোধক্ষমতা বেড়েছে এবং করোনার সম্ভাবনা নেই।

তাই এ সময়ে করোনা পরীক্ষার কোনো দরকার নেই। কারণ তখন শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে যায়। আর যদি ৮ম ও ৯ম দিন শরীর আরো খারাপ হয় তাহলে অবশ্যই হেল্পলাইনে যোগাযোগ করে পরীক্ষা করে নিতে হবে।

জ্বর হলেই করোনা পরীক্ষার দরকার নেই উল্লেখ করে দেবী শেঠি বলেন, আগে বেশ কয়েকদিন বাড়িতে থেকে উপসর্গ পর্যবেক্ষণ করতে হবে। যদি সেগুলো বেড়ে যায় তাহলেই কেবল পরীক্ষা করে নিতে হবে। কিন্তু ভয় পেয়ে পরীক্ষা করানো যাবে না। এতে সমস্যা আরো বাড়তে পারে।

সেই উহানে স্বস্তি, নেই নতুন রোগী


গত বছরের শেষ নাগাদ চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী যে উহানে প্রথম প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের রোগী শনাক্ত হয়, সেখানে কাটলো একটি স্বস্তির দিন। কারণ করোনার উৎপত্তিস্থলে গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো আক্রান্তের ঘটনা ঘটেনি।

আজ বৃহস্পতিবার চীনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশনের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

দেশটির গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, তবে রাজধানী বেইজিংয়ে বিগত ২৪ ঘণ্টায় ২৩ জনকে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।

বেইজিং কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, নতুন যারা আক্রান্ত হয়েছেন তারা ব্রিটেন ও স্পেন ভ্রমণ করে এসেছেন। এ নিয়ে আতঙ্কও প্রকাশ করেছেন দেশটির গবেষকরা।

অন্যদিকে, চীনের গুয়াংজো প্রদেশে নতুন করে আরো ৯ জন আক্রান্তের তথ্য জানিয়েছে চীনা স্বাস্থ্য বিভাগ। তাছাড়া সাংহাইতেও নতুন করে দুইজনকে করোনা রোগী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বরে শনাক্ত হওয়ার পর থেকে চীনে এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৮০ হাজার ৯২৮ জন। মারা গেছে ৩ হাজার ২৪৫ জন। আক্রান্ত ও মৃতের অধিকাংশই উহাদের বাসিন্দা।

মৃত ৯ হাজার, আক্রান্ত ২ লাখ ১৯ হাজার, ছড়িয়েছে ১৭৩ দেশে


করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর মিছিল দিনকে দিন ভারী হচ্ছে। মুহূর্তের ব্যবধানে মানুষগুলো হয়ে যাচ্ছে স্রেফ সংখ্যা। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯ হাজারে। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ১৯ হাজার ২৩৭ জন। ছড়িয়ে পড়েছে ১৭৩টি দেশে।

আশার কথা হলো, এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৮৫ হাজার ৭৪২ জন। বর্তমানে আক্রান্ত আছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৫২৮ জন। আক্রান্তদের মধ্যে খুব খারাপ অবস্থায় আছেন ৬ হাজার ৮১৫ জন, যাদের সুস্থ হওয়ার ব্যাপারে চিকিৎসকরা খুব বেশি আশাবাদী নন।


যথারীতি সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা চীনে, ৮০ হাজার ৯২৮ জন। এরপরই ইতালি, ৩৫ হাজার ৭১৩ জন। ইরানে ১৭ হাজার ৩৬১ জন। স্পেনে ১৪ হাজার ৭৬৯ জন। জার্মানিতে ১২ হাজার ৩২৭ জন।

মৃতের সংখ্যার দিক থেকে তালিকাটা প্রায় একই। তবে জার্মানিতে আক্রান্তের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা খুবই কম। ১২ হাজার ৩২৭ জনের আক্রান্ত হওয়ার বিপরীতে মারা গেছে ২৮ জন। এছাড়া চীনে মৃত্যু ৩ হাজার ২৪৫ জনের। ইতালিতে ২ হাজার ৯৭৮ জন। ইরানে ১ হাজার ১৩৫ জন। স্পেনে ৬৩৮ জন।

খুব সংকটাপন্ন অবস্থায় থাকা রোগীদের সংখ্যা বেশি চীন ও ইতালিতে। তাই এই দুই দেশে মৃতের সংখ্যা আরো অনেক বাড়বে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। চীনে এমন রোগী আছে ২ হাজার ২৭৪ জন এবং ইতালিতে আছে ২ হাজার ২৫৭ জন। এসব আক্রান্তদের ফিরে আসার ব্যাপারে চিকিৎসকরা আশাবাদী নন।

করোনারোধে গো-আরক: এক ছিপি খেয়েই হাসপাতালে


শরীরে করোনাভাইরাসের জীবাণু থাকলে তা কেটে যাবে এমন বিশ্বাস নিয়ে ‘গোমূত্র’ পান করেছিলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মেদিনীপুর জেলার বাসিন্দা শিবু গরাই। কিন্তু হলো হিতে বিপরীত, প্রচণ্ড বুক ব্যথা নিয়ে ভর্তি হলেন জেলা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে।

হাসপাতালের বিছানায় কাতরাতে কাতরাতে বললেন, ‘খুব ভুল হয়েছে। করোনা ঠেকাতে আমার মতো আর যেন কেউ গোমূত্র পান না করে।’ খবর আনন্দবাজারের।

বাড়ির সামনেই শিবুর কাপড়ের দোকান। স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ছিমছাম সংসার। দিনকয়েক আগে বন্ধুদের সঙ্গে মায়াপুরে বেড়াতে গিয়েছিলেন। ফেরার সময় দেখেন বিক্রি হচ্ছে করোনা তাড়ানোর ওষুধ। শিশির গায়ে লেখা ‘গো-আরক’। বিক্রেতা জানিয়েছিলেন, এটা নিয়মিত খেলে রক্তদোষ কাটবে, মুক্তি মিলবে করোনাসহ সব ধরনের ব্যাধি থেকে। বিশ্বাস করে এক শিশি গো-আরক কিনেছিলেন ১৮০ টাকায়। প্রথম দিন এক ছিপি খেয়েই শিবু এখন হাসপাতালে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিবুর অবস্থা এখন অনেকখানি স্থিতিশীল।

করোনাভাইরাসে রাশিয়ায় প্রথম মৃত্যু


এবার প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে রাশিয়ায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। ৭৯ বছর বয়সী ওই নারী নিউমোনিয়াসহ অন্যান্য সমস্যায় ভুগছিলেন। এটাই রাশিয়ায় করোনাভাইরাসে প্রথম মৃত্যু।

রুশ কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে আলজাজিরা এ খবর দিয়েছে।

জাকার্তা পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটিতে এ পর্যন্ত ১৪৭ জন আক্রান্ত হয়েছে। যা ইউরোপের অনেক দেশের তুলনায় কম। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে রুশ কর্তৃপক্ষ বিদেশিদের প্রবেশ এবং আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ব্যাপারে কড়াকড়ি আরোপ করেছে।

সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী প্রাণঘাতী এ ভাইরাসটি ইতোমধ্যে বিশ্বের প্রায় ১৭০টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে আক্রান্ত হয়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ৩২৩ জন। মারা গেছে ৮ হাজার ৯৯৭ জন। আর সুস্থ হয়েছে ৮৫ হাজার ৭৮৫।

মার্কিন কংগ্রেসের দুই সদস্য আক্রান্ত


বিশ্বের ১৭০টি দেশে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) এবার আক্রান্ত হয়েছেন মার্কিন কংগ্রেসের দুই সদস্য। তারা হলেন- যুক্তরাষ্ট্রের উটাহ থেকে নির্বাচিত ডেমোক্রেট সদস্য বেন ম্যাক অ্যাডামস ও ফ্লোরিডা থেকে নির্বাচিত রিপাবলিকান দলীয় মারিও ডিয়াজ-ব্যালার্ট। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন আছেন।

সম্প্রতি এক টুইট বার্তায় বেন ম্যাক অ্যাডামস জানান, তিনি প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। আক্রান্ত হওয়ার পর এ বিষয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করেছেন এবং বর্তমানে স্বেচ্ছায় নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন।

অন্যদিকে, মারিও ডিয়াজ-ব্যালার্টের অফিসের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সম্প্রতি জ্বর ও মাথা ব্যথা হলে করোনার পরীক্ষা করান মারিও। পরীক্ষার তার শরীরে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। তবে কীভাবে তিনি এ ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন তা জানা যায়নি।

এদিকে, মারিও ডিয়াজের করোনা আক্রান্তের খবরে সতর্কতার জন্য স্বেচ্ছায় হোম কোয়ারেন্টাইনে গেছেন মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি সভার হুইপ স্টিভ স্ক্যালিস। এক বিবৃতিতে তিনি জানান, গত সপ্তাহে মারিও ডিয়াজের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেছেন তিনি। তাই সতর্কতার জন্য স্বেচ্ছায় হোম করোয়ারেন্টাইনে যাচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে বিশ্বের ১৭০টি দেশে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত ১৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংক্রমিত হয়েছেন আরো ৯ হাজার ৪৬৪ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ১০৮ জন।

Sunday, March 15, 2020

নতুন দুইজন আক্রান্ত, ৩৭ জেলায় কোয়ারেন্টাইনে ১৩৪৫

স্বেচ্ছায় শরীরে করোনাভাইরাস নিলে ৪ লাখ টাকা!

আইসোলেশনে ইভাংকা ট্রাম্প!

ইউরোপ থেকে আসা বন্ধ, অন-অ্যারাইভাল ভিসাও স্থগিত

স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দেশে নতুন করে দুইজন আক্রান্ত

Sunday, March 8, 2020

করোনা এবার বাংলাদেশে, আক্রান্ত ৩ জন